বাংলাদেশে কোরবানির মূল উপাদান হচ্ছে গরু। আর সেটা যদি হয় মোটাতাজা, নাদুস-নুদুস তবে আনন্দের সীমা থাকে না। এ উপলক্ষকে সামনে রেখে যারা গরু মোটাতাজাকরণে আগ্রহী তাদের আগে থেকেই প্রস্তুতি নেয়া দরকার। এজন্য দরকার গরু মোটাতাজাকরণে সঠিক ব্যবস্থাপনা। অধিক মাংস উৎপাদনের জন্য ২-৩ বছর বয়সের শীর্ণকায় গরুকে একটি নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে বিশেষ ব্যবস্থাপনায় খাদ্য সরবরাহ করে হৃষ্টপুষ্ট গরুতে রূপান্তরিত করাকে গরু মোটাতাজাকরণ বলে আখ্যায়িত করা হয়। এটির গুরুত্ব হচ্ছে- দরিদ্রতা হ্রাসকরণ, অল্প সময়ে কম পুঁজিতে অধিক মুনাফা অর্জন, অল্প সময়ের মধ্যে লাভসহ মূলধন ফেরত পাওয়া, প্রাণিজ আমিষের ঘাটতি পূরণ, স্বল্পমেয়াদি প্রযুক্তি হওয়ার কারণে পশু মৃত্যুর হার কম, কৃষিকার্য থেকে উৎপাদিত উপজাত পশুখাদ্য হিসেবে ব্যবহার করে সহজেই মাংস উৎপাদন করা, বেকার যুবকদের কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি করে আয় বৃদ্ধি করা। এই আর্টিকেলটি থেকে আপনি আরো যেসব তথ্য পাবেন সেগুলো হল: গরু মোটাজাতকরণ প্রকল্প, মোটাজাতকরণের জন্য গরু কিনতে গিয়ে কয়েকটি দিক খেয়াল রাখতে হবে, নিয়মাবলী, সর্তকতা, অভ্যন্তরীণ পরজীবী মুক্ত করণ, গোল কৃমি, কলিজা বা পাতা কৃমি মুক্তকরণের নিয়মাবলী, খড়ের সাথে মিশিয়ে ইউরিয়া খাওয়ানোর নিয়ম, ১০০ কেজি দৈহিক ওজনের গবাদিপশুর খাদ্য তালিকা, ১৫০ কেজি ওজনের গবাদিপশুর খাদ্য তালিকা, ১৫০-২০০ কেজি ওজনের পশুর খাদ্য তালিকা, স্থান নির্বাচন, গরু নির্বাচন, বাসস্থানের গঠন, শুকনা খড়, কাঁচা ঘাস, দানাদার খাদ্য, বাজারজাতকরণ, গ্রোথ হরমোনের ব্যবহার ছাড়া গরু মোটাতাজাকরণ, এবং অন্যান্য সব তথ্য।